চলছে সরকারের সুলভ মূল্যে আটা ও চাল বিক্রি

31

MB নিজস্ব প্রতিবেদক :  মৌলভীবাজারে নিম্ন আয়ের মানুষ ও অতি দরিদ্র মানুষদের জন্য সরকারের খাদ্য বিভাগের সুলভ মূল্যে আটা ও চাল বিক্রি কাযর্ক্রম চলছে। করোনা ভাইরাস প্রকোপের সংকট কালীন সময়ে কম দামে আটা ও চাল ক্রয় করছেন দরিদ্ররা।

জেলা খাদ্য অফিস সূএে জানাযায় – মৌলভীবাজার পৌরসভা এলাকায় ৯টি ওয়ার্ডে নয় জন ডিলারের মাধ্যমে ১৮ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি চলছে। প্রতিদিন পাঁচজন ডিলার পাঁচ টন আটা বিক্রি করছেন, আর ইউনিয়ন পর্যায়ে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করতে জেলায় একশ বিশ জন ডিলার রয়েছেন।

রবিবার (২৯ মার্চ) মৌলভীবাজার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় মের্সাস নজরুল এন্ড ব্রাদার্সে সকাল থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে আটা ক্রয় করতে মানুষের লাইন পড়ে, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সুলভ মুল্যে আটা ক্রয় করছেন ক্রেতারা। এসময় ডিলার বদরুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহে তিন দিন ৩ টন আটা বরাদ্ধ পাই।

আটার মান ভালো হওয়ায় মানুষের সাড়া পাচ্ছি, এক জন ক্রেতা ৫ কেজি আটা নিতে পারেন।  ক্রেতা সিরাজ মিয়া বলেন এখন রোজগার নাই, এই সময়ে বাজার থেকে অর্ধেক দামে আটা পাওয়ায় আমরা খুশি। আর রুবেল মিয়া বলেন, বাজারের খুচরা আটা থেকে এই আটার মান অনেক ভালো, তাই নিচ্ছি ।

এদিকে রাজনগর ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নকুল দাশ জানান – ফতেপুর ইউনিয়নে অতি দরিদ্র ৬শ ৮০ জন কার্ডধারী মানুষ ১০ টাকা কেজি দরে চাল ক্রয় করার সুযোগ পাচ্ছেন,  মার্চ মাসেই তারা প্রায় ৩০ কেজি চাল ক্রয় করতে পেড়েছেন।

জেলা খাদ্য কর্মকর্তা বিপ্লব চন্দ্র দাস জানান –  অসহায় খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষদের সুবিধায় সুলভ মূল্যে আটা বিক্রি চলছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলমান থাকবে, আর জেলার ৬৭টি ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি কার্যক্রম চলমান আছে। একজন কার্ডধারী ব্যাক্তি মাসে ৩০ কেজি চাল পাবেন। এ কার্যক্রম মার্চ মাসে ছিল, এপ্রিলেও চলবে।

জেলায় ৪৩ হাজার ৩শ ৭০ জন হত দরিদ্র মানুষ কম দামে আটা ও চাল কেনার এই সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যান্য বছর এ কার্যক্রম ৫ মাস চললেও  এবার করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারনে তা বাড়ানো হতে পারে।